দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে কুয়াশা, দিক হারিয়ে মাঝনদীতে আটকে ছিল তিনটি ফেরি
· Prothom Alo

কুয়াশার কারণে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে চার ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। আজ মঙ্গলবার সকালে নদী পাড়ি দিতে না পারায় দুই ঘাটে বেশ কিছু যানবাহন আটকা পড়ে। এর আগে তিনটি ফেরি মাঝনদীতে আটকা পড়ে। বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপমহাব্যবস্থাপক আবদুস সালাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয় জানায়, এক দিন বিরতির পর মঙ্গলবার ভোর থেকে নদী অববাহিকায় ঘন কুয়াশা পড়তে শুরু করে। বেলা বাড়ার সঙ্গে কুয়াশা আরও ঘন হয়ে গেলে নদীপথ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। ভোর পাঁচটার দিকে উভয় ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া রো রো ফেরি ‘ভাষাসৈনিক গোলাম মাওলা’, ‘ভাষাশহীদ বরকত’ ও ইউটিলিটি ফেরি ‘হাসনাহেনা’ মাঝনদীতে দিক হারিয়ে আটকা পড়ে। উপায় না পেয়ে ফেরি তিনটি মাঝনদীতে নোঙর করতে বাধ্য হয়।
Visit asg-reflektory.pl for more information.
মাঝনদীতে ফেরি আটকে পড়ার খবরে ঝুঁকি এড়াতে কর্তৃপক্ষ ভোর ৫টা ৫০ মিনিট থেকে দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া ঘাট থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয়। এ সময় দৌলতদিয়া ঘাটে ‘শাহ পরান’, ‘বাইগার’, ‘বনলতা’ নামের তিনটি ফেরি নোঙর করা হয়। পাটুরিয়া প্রান্তে ‘বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর’, ‘কেরামত আলী’, ‘কুমিল্লা’ ও ‘শাহ মখদুম’ নামের চারটি ফেরি নোঙর করা থাকে।
কুয়াশা কমতে শুরু করলে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতদিয়া থেকে প্রথম ফেরি ছাড়ে এবং সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে পাটুরিয়া ঘাট থেকে ফেরি চলাচল শুরু হয়। প্রায় চার ঘণ্টা ফেরি বন্ধ থাকায় উভয় ঘাটে বেশ কিছু যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় আটকা পড়ে।
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপমহাব্যবস্থাপক আবদুস সালাম বলেন, ফাল্গুনের মাঝামাঝি এসে পদ্মা নদী অববাহিকায় আকস্মিকভাবে ঘন কুয়াশা পড়ায় ফেরিসহ নৌযান চলাচল বন্ধ হচ্ছে। শনিবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে পরদিন ভোর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার পুনরায় প্রায় চার ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। এ ছাড়া মাঝনদীতে তিনটি ফেরি আটকা পড়ায় যাত্রীসহ চালকেরা বাড়তি ভোগান্তিতে পড়েছেন।